ভোলায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে নদী ও চর দখলের অভিযোগ

ভোলার চরাঞ্চলে জমি দখলসহ একাধিক অভিযোগ, বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক | Time tv24.info
৭ জুলাই ২০২৬

📌 এক নজরে

  • চরাঞ্চলের শত শত একর জমি দখলের অভিযোগ
  • সরকারি চালের স্লিপ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ
  • ভূমিহীন পরিবারের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ
  • প্রতিবাদে জুতা ও ঝাড়ু মিছিল ও মানববন্ধন
  • অভিযুক্ত সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন
  • থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ না পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ

ভোলার চরফ্যাশনের দক্ষিণ আইচা থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এবং ঢাকা সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়ার প্রভাষক রেজাউল করিম খন্দকারের বিরুদ্ধে চরাঞ্চলের শত শত একর জমি দখল, সরকারি চালের স্লিপ নিয়ন্ত্রণ এবং ভূমিহীন পরিবারের বসতঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগের প্রতিবাদে স্থানীয় ভুক্তভোগীরা তার বিরুদ্ধে জুতা ও ঝাড়ু মিছিল এবং মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। পাশাপাশি চরের বিভিন্ন এলাকা থেকে লুট করে নিয়ে যাওয়া ধান ফেরত দেওয়ার দাবিতে ক্ষতিগ্রস্তরা স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়নের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক পরিচয় ও পেশাগত তথ্য

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ছাত্রজীবনে ভিন্ন রাজনৈতিক ধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও পরবর্তীতে রেজাউল করিম খন্দকার বিএনপিতে যোগ দেন। ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনের তৎকালীন বিএনপি প্রার্থী নাজিম উদ্দিন আলমের নির্বাচনী জনসভায় ফুল দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেন বলে দাবি করা হয়।

পরবর্তীতে তিনি দক্ষিণ আইচা থানা বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, ওই সময় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও ত্যাগী নেতাদের একটি অংশকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে কোণঠাসা করা হয়েছিল।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, রেজাউল করিম খন্দকার ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর ঢাকা সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়ায় আধুনিক আরবি বিষয়ের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরে তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত দায়িত্ব পালন না করে নিজ এলাকায় অবস্থান করছেন।

অভিযুক্তের বক্তব্য

"আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার নামে বা বেনামে কোনো ভূমিহীন বন্দোবস্ত কার্ড নেই।"

— রেজাউল করিম খন্দকার

কর্তৃপক্ষ যা বলছে

ঢাকা সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়ার অধ্যক্ষ ওবায়দুল হক বলেন, রেজাউল করিম খন্দকার সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত জানেন না। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের আগেই রেজাউল করিমসহ চারজন শিক্ষক অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বদলি হয়েছেন।

অন্যদিকে দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান কবির জানান, রেজাউল করিম খন্দকারের বিরুদ্ধে থানায় এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।

⚖️ Editorial Disclaimer

This report is based on allegations, statements from local sources, and publicly available information available at the time of publication. The accused, Rezaual Karim Khandakar, has denied all allegations. Time tv24.info has not independently verified these claims, and no court has issued any final judgment regarding the allegations mentioned in this report. This report will be updated if any official investigation findings, court orders, or further statements from the concerned parties become available.

Post a Comment

0 Comments