এরদোয়ান কি পারবেন পূর্বসুরির স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে?


দীর্ঘ
 ১০বছর ধরে নানা ধরণের জরিপ চালানোর পর অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণে কাজ শুরু করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। তিনি গত ২৬ জুন ২০২১ শনিবার দেশটির বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুলের ইউরোপীয় অংশকে দুই ভাগ করে একটি খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এর লক্ষ্য হচ্ছে কৃষ্ণ সাগর এবং মারমার ও ভূমধ্যসাগরের মধ্যে সংযোগ তৈরি করা। বিশ্বজুড়ে এ নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। কারণ এটি সুলতান সুলেমানের স্বপ্ন ছিলো।


সুয়েজ বা পানামা খালের আদলে কৃত্রিমভাবে খনন করা এই ‘ক্যানাল ইস্তাম্বুল’ বা ইস্তাম্বুল খালের লক্ষ্য হচ্ছে- বসফরাস প্রণালীর বিকল্প পথ তৈরি করে ওই দুই সাগরের মধ্যে আরও বেশি সংখ্যক জাহাজ চলাচলের পথ সুগম করা। যদিও তুরস্কের অনেকে এই খাল খনন প্রকল্পের বিরোধিতা করেছেন।

প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলছেন, এই খাল তুরস্কের উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। প্রকল্পটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, বসফরাস প্রণালী দিয়ে ১৯৩০-এর দশকে প্রতি বছর ৩ হাজার জাহাজ পারাপার হতো, আর এখন প্রতি বছর ৪৫ হাজার জাহাজ এই প্রণালী অতিক্রম করে।

এই শতকের মাঝামাঝি নাগাদ অর্থাৎ ২০৫০ সালের দিকে এই সংখ্যা ৭৮ হাজারে দাঁড়াবে বলে তিনি জানান। এতো বিপুল সংখ্যক জাহাজের চলাচল ইস্তাম্বুল শহরের জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি করবে বলে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।


তবে শুধু খাল খননই নয়, বরং কথা রয়েছে যে এই প্রকল্পের আওতায় তৈরি হবে নতুন একটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র বন্দর, কন্টেইনার টার্মিনাল, কিছু কৃত্রিম দ্বীপ এবং খালের দুই পাশ বরাবর বেশ কয়েকটি আধুনিক শহর। এরদোয়ানের নেতৃত্বাধীন এ কে পার্টি ক্ষমতায় বসার পর ২০১১ সালে এক জনসভায় তিনি এই খাল খনন করার ঘোষণা করেছিলেন।

সে সময় অনেকেই একে ‘রাজনীতির চমক’ বলে অভিহিত করলেও এরদোগানের সরকার ২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এই খাল খননের সম্ভাব্যতা নিয়ে নানা রকম সমীক্ষা চালায়। তবে বসফরাসের বিকল্প একটি খাল খনন নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছিল বেশ আগে - সেই ওসমানীয় সাম্রাজ্যের সুলতান সুলেমান দ্য ম্যাগনিফিসেন্টের আমলে।

তুর্কি পত্রিকা হুরিয়াতের খবর অনুযায়ী, সুলতান সুলেমানের স্থপতি মিমার সিনান এই পরিকল্পনাটি তৈরি করলেও অজ্ঞাত কারণে তা বাতিল করা হয়। এরপর সুলতান তৃতীয় মুরাদের আমলে ১৬৯১ সালের ৬ মার্চ এই খাল খননের জন্য একটি রাজকীয় ফরমান জারি করা হয়, কিন্তু সেটিও পরে বাতিল হয়ে যায়। এভাবে মোট সাতবার খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কখনোই বাস্তবে পরিণত হয়নি। তাই বিশ্ববাসীরও  অবাক প্রশ্ন, এরদোয়ান কি পারবেন পূর্বসুরির স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে?








আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরীর মায়ের ইন্তেকাল


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর নায়েবে আমীর ও কেন্দ্রীয় মলিশে শুরা সদস্য, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের ২ বারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য জননেতা আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরীর আম্মাজানের ১ম জানাজার নামাজ ২৮ মে ২০২১ রোজ সোমবার দুপুর ২টায় বাকলিয়া মজিদিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা মাঠ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়

প্রচণ্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে মরহুমার জানাযায় জামায়াতে ইসলামী ও শিবিরের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মুসল্লিদের বেশ উপস্থিতি  লক্ষ্য করা যায় 

বিপুল সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতিতে আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী মাত্র ৩ ঘন্টার জন্য পেরোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের সাথে সর্বশেষ সাক্ষাত এবং মায়ের জানাযায় তিনি নিজেই ইমামতি করেন

জানাযা শেষে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, এ সময় আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরীকে টিস্যু দিয়ে চোখ মুছতে দেখা যায়

তাঁর মায়ের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান

এক শোক বার্তায় মরহুমার মাগফিরাত এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান

শোক জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরীর উভয় শাখা

সর্ব স্তরের জনসাধারণ মরহুমার জন্য মাগফিরাত ও শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান






যুক্তরাজ্যের নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে?


  ম্যাট হ্যানককের পদত্যাগের পর যুক্তরাজ্যের নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পাচ্ছেন সাজিদ জাভিদ। তিনি দেশটির সাবেক অর্থমন্ত্রী। স্থানীয় সময় শনিবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের কার্যালয় থেকে নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে সাজিদ জাভিদের নাম জানানো হয়।


করোনার স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্বের বিধিনিষেধ ভেঙে সহকারীকে চুমু খাওয়ার জেরে শনিবার পদত্যাগ করেন হ্যানকক। তার ওই ছবি সংবাদপত্রে প্রকাশিত হওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনা চলে। গিনা কোলাডঅ্যাঞ্জেলো নামের ওই সহকারীকে ম্যাট হ্যানকক নিজেই নিয়োগ দিয়েছিলেন। তার সঙ্গে অন্তরঙ্গ ছবি প্রকাশ পাওয়ার পর দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমাও চান হ্যানকক। পরে পদ ছাড়তে বাধ্য হন। 

গত মাসের শুরু থেকে যুক্তরাজ্যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আবার বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন সাজিদ জাভিদ। সঙ্কটজনক সময়ে তাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিয়োগ করায় নিজেকে সম্মানীত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।  সাজিদ জাভিদকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিয়োগ দেয়ার নেপথ্যে ফার্স্টলেডি ক্যারি জনসনের হাত আছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরুধীরা তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেন জনসন ।

এদিকে সাজিদ জাভিদকে নতুন এই দায়িত্ব দেয়ায় স্বাগত জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন কনজার্ভেটিভ পার্টির সিনিয়র এমপি তোবিয়াস এলউড।

অবৈধভাবে আসা ফোনগুলো চিহ্নিত করা হবে -বিটিআরসি


 মোবাইল হ্যান্ডসেট হারিয়ে গেলে অথবা চুরি হলে অন্য কেউ ওই মোবাইল সেটটি ব্যবহার করতে পারবে না। প্রত্যেক মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহারকারীকে একটি নির্দিষ্ট কোড দেওয়া হবে। নির্দিষ্ট ওই কোড ছাড়া মোবাইল সেটটি চালু হবে না। আগামী ১ জুলাই থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এ পদ্ধতিটি চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তরঙ্গ বিভাগ।কবে থেকে পদ্ধতিটি গ্রাহক পর্যায়ে চালু হবে সে বিষয়ে আগামী তিন মাস পরীক্ষামূলক পরিচালনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ।


 গত ২৪ জুন বৃহস্পতিবার বিটিআরসি’র তরঙ্গ বিভাগ জানিয়েছে, আগামী ১ জুলাই থেকে দেশে প্রথমবারের মতো ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম ব্যবহার করে সব অবৈধ ও নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা মোবাইল ফোন শনাক্তের পাশাপাশি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ার কাজ শুরু হবে।

বিটিআরসি এনইআইআর পদ্ধতির মাধ্যমে দেশে নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা ও অবৈধ মোবাইল ফোন শনাক্ত করবে। আর চালু থাকা ও বৈধভাবে কেনা সব মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহারকারীকে একটি নির্দিষ্ট কোড দেওয়া শুরু হবে। মূলত ওই কোডটাই মোবাইল ফোনটির মূল চাবিকাঠি।

বিটিআরসি’র তরঙ্গ বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শহিদুল আলম বলেন, আগামী ১ জুলাই এনইআইআর পদ্ধতি উদ্বোধন করবেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। এদিন থেকেই দেশে আর অবৈধভাবে আসা ও নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা মোবাইল ফোন কেউ ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা উপহার হিসেবে পাওয়া মোবাইল সেট নিবন্ধন করে চালু করা যাবে।

তিনি বলেন, ১ জুলাই এর পর অবৈধভাবে আসা ফোনগুলো চিহ্নিত করা হবে। আমরা পরীক্ষামূলক আগামী তিনমাস পদ্ধতিটি নিয়ে কাজ করব। এ সময়ে মোবাইল হ্যান্ডসেটগুলো নিবন্ধনের সময় থাকবে। এসব মোবাইল হ্যান্ডসেট চালু করতে হলে প্রত্যেককে আমাদের পোর্টালে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। পরবর্তীতে এসব মোবাইল বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এটি পরীক্ষামূলক তিন মাস চলবে। এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।






জনসংহতি সমিতির শান্তিবাহিনী ও নও মুসলিম ওমর ফারুক ত্রিপুরা

পাহাড়ের স্বাধীনতা ও স্বায়ত্ত্বশাসনেদাবিতে সন্তু লারমার ভাই এমএম লারমার নেতৃত্বে  ১৯৭২ সালে গঠিত হয় জনসংহতি সমিতি জেএসএস  ১৯৮২ সালের ১০ নভেম্বর অন্তর্দলীয় কোন্দলে নিহত হবার পূর্ব পর্যন্ত মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা বা এমএম লারমা জনসংহতি সমিতি ও শান্তিবাহিনীর নেতৃত্ব দেন। এরপর সংগঠনটির নেতৃত্বে আসে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা বা সন্তু লারমা।

জনসংহতি সমিতির সদর দপ্তর ছিল বর্তমান খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা উপজেলার দুর্গম অরণ্যে। সন্তু লারমার নেতৃত্বে ১৯৭৩ সালে গোপনে গঠন করা হয় জনসংহতি সমিতি জেএসএস এর সামরিক শাখা সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন শান্তিবাহিনী এবং সশস্ত্র সংগ্রামের সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৭৪ সাল নাগাদ বিপুল সংখ্যক পাহাড়িদের সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে শান্তিবাহিনীভুক্ত করা হয়। নিয়মিত বাহিনী ছাড়াও সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ প্রাপ্তদের নিয়ে মিলিশিয়া বাহিনী গঠিত হয়। শান্তিবাহিনী ও মিলিশিয়া বাহিনীকে সহায়তার লক্ষ্যে গ্রাম পঞ্চায়েত এবং বহুসংখ্যক যুব সমিতি ও মহিলা সমিতি গড়ে তোলা হয়। ১৯৭৫ সালে সন্তু লারমা আত্মগোপনে চলে যায় এবং সেই বছরের ২৬ অক্টোবর তিনি গ্রেফতার হন।

 সামগ্রিক প্রস্ত্ততি গ্রহণ শেষে শান্তিবাহিনী ১৯৭৬ সালের প্রথমদিকে সশস্ত্র তৎপরতা শুরু করে।

 একই বছর বরকলে টহল পুলিশের ওপর হামলার মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করে এই সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন। ঘটনাটি ছিলো বরকলের ভূষণছড়ায় একরাতেই চারশ জন বাঙালিকে হত্যার ঘটনা। একই সময় জাতিগত জিঘাংসায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত এক হাজার সাধারণ পাহাড়ি মানুষ।

 শান্তিবাহিনী পার্বত্য এলাকায় বসবাসকারী বাঙালিদের আক্রমণ ও হত্যা, নিরাপত্তা বাহিনীকে আক্রমণ, তাদের মতাদর্শ বিরোধী উপজাতীয়দের হত্যা, সরকারি সম্পদের ক্ষতিসাধন, অপহরণ ও বলপূর্বক চাঁদা আদায়সহ বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ জোরদার করে।

 সংগঠনটির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের জন্য বিশ্বস্ত রাজনৈতিক নেতৃত্ব না থাকায় সশন্ত্র আন্দোলন এক পর্যায়ে তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে ওঠে। শান্তিবাহিনীর অব্যাহত সশস্ত্র হামলার মধ্যেই তৎকালীন সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করার তৎপরতাকে রুখতে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেই সমতল থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভূমিহীন এবং দরিদ্র বাঙালিকে পুনর্বাসন করেন পাহাড়ে। এতে বিচ্ছিন্নতার প্রবণতা কমলেও জটিল আকার ধারণ করে ভূমিবিরোধ। নতুন সমস্যা হিসেবে সামনে আসে ভূমিবিরোধ। 

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিশাল ভূখণ্ড হলেও এখানে বসবাস এবং চাষ উপযোগী জমির পরিমাণ কম। তার ওপর ১৯৬০ সালে নির্মিত কাপ্তাই বাঁধের কারণে প্রায় এক লাখ একর ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় ব্যবহারযোগ্য ভূমির পরিমাণ আরও কমেছে। ফলে নতুন করে পুনর্বাসন পাহাড়ে জটিলতা বাড়ায়, বাড়ে মানবিক সঙ্কটও।

 সেইসঙ্গে শান্তিবাহিনীর একের পর এক হামলায় প্রাণ হারাতে থাকেন দারিদ্র্য পুনর্বাসিত বাঙালিরা। এক সময় এই বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণে আনতে পাহাড়ে বাড়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপস্থিতি। শান্তিবাহিনীর হাতে অসংখ্য বাঙালির প্রাণ হারানোর ঘটনায় এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পাহাড়িদের ওপর ক্ষুব্ধ বাঙালিদের হামলার ঘটনাও বাড়তে থাকে। ক্রমশ নষ্ট হতে শুরু করে পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি-বাঙালির সম্পর্ক। এসব আক্রমণের মূল লক্ষ্যবস্তু ছিলো পুনর্বাসিত বাঙালি গ্রাম, সেনাবাহিনী-পুলিশ-আনসার সদস্যরা।

 শান্তিবাহিনীর হামলায় ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ঠিক কতজন বাঙালি কিংবা নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য মারা গেছেন তার সঠিক কোনো সংখ্যা প্রকাশিত না হলেও বিভিন্ন গবেষকরা এই সংখ্যাকে অন্তত দশ হাজার বলে দাবি করে থাকেন।  তবে দুটি ক্ষেত্রেই কোন বিশ্বস্ত কিংবা দায়িত্বশীল সূত্র পাওয়া সম্ভব হয়নি। 

১৯৮০ সালে সন্তু লারমা ছাড়া পান এবং ১৯৮১ সালে আবারও গ্রেফতার হন কিন্তু এবার ছাড়া পেয়ে আত্মগোপনে চলে যান। ১৯৮২ সালে দলীয় কোন্দলে নিহত হন এমএন লারমা

১৯৯৯ সালে জনসংহতি সমিতির ষষ্ঠ মহাসম্মেলনে জেএসএস এর সামরিক শাখা শান্তিবাহিনীর আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু বন্ধ হয়নি শান্তিবাহিনীর সন্ত্রাসী তৎপরতা। এর সর্ব শেষ শিকার বান্দরবানের নওমুসলিম ওমর ফারুক ত্রিপুরা 

আমরা জেনেছি, বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে ওমর ফারুক নামে এক নওমুসলিমকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। গত ১৮ই জুন, শুক্রবার আনুমানিক রাত ৯টার দিকে নামাজ আদায় করে বাড়ি ফেরার পথে রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়নের তুলাছড়ি পাড়া এলাকায় পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের একটি গ্রুপ তাকে হত্যা করেছে। 

 ‘নও মুসলিম ওমর ফারুক (পূর্ব নাম পূর্ণেন্দু ত্রিপুরা) বন্ধুর দাওয়াতে ২০১৪ সালে খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার অত্যন্ত দুর্গম পার্বত্য এলাকায তুলাছড়িতে নিজের জমিতে একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করে ইসলাম ধর্ম চর্চা করতে শুরু করেন। শুধু তাই নয় রোয়াংছড়ির ওই চরম বৈরী পরিবেশে তিনি অন্যান্য বিধর্মীদের মাঝে ইসলামের দাওয়াত দিতে শুরু করেন। এতে পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা একের পর এক তাকে হত্যা করার হুমকি দিতে থাকে। কিন্তু ওমর ফারুক জীবনের তোয়াক্কা না করে ইসলামের প্রচার অব্যাহত রাখেন। তার এই প্রচেষ্টায় শুধু নিজের পরিবার নয়, রোয়াংছড়ি এলাকায় তার দাওয়াতে ৩০টি উপজাতীয় পরিবার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। একারণে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা তাকে থামাতে গত কয়েকদিন আগে রাতে মসজিদ থেকে এশার নামাজ পড়ে ফেরার পথে গুলি করে হত্যা করে 

পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইসলাম গ্রহণ করায় সন্তু লারমার জেএসএসের সশস্ত্র শাখার লোকজন তাকে হুমকি দিয়ে আসছিল। এলাকাবাসী জানিয়েছে, সন্তু লারমার সন্ত্রাসী বাহিনিই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত 

সুতরাং,সময় থাকতে ব্যবস্থা নিন 

অন্যথায় ওই অঞ্চল বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হবে। দেশি--বিদেশি চক্রান্তে প্রতিষ্ঠা করা হবে জুম্মল্যান্ড! এর উদ্দেশ্য, বাংলাদেশ নামক মুসলিম ভূখণ্ডকে দুর্বল করে দিয়ে গ্রেটার ভারত প্রতিষ্ঠার পথে আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়া! আর জেনে রাখা দরকার, এই পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রচুর ইউরেনিয়াম আছে, যা দিয়ে পারমানবিক বোমা বানানো যায়। আছে প্রচুর বনজ ও খনিজ সম্পদ। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের কুনজর কিন্তু এই অঞ্চলে। সুতরাং সচেতন হোন। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সন্ত্রাসী বাহিনির নিরস্ত্রীকরণের জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ নিন। যদি তারা অস্ত্র না ছাড়ে, তবে অস্ত্রের ভাষায়ই কথা বলুক দেশের সেনাবাহিনী। নিরস্ত্র সাধারণ জনগণের নিরাপত্তার জন্যই এই সন্ত্রাসী বাহিনীর ব্যাপারে ব্যবস্থা নিন     







ইরানের তেরো তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত সাইয়েদ ইবরাহিম রইসি



  বেসরকরীভাবে ইরানের তেরো তম  প্রেসিডেন্ট হিসেবে  নির্বাচিত হয়েছেন ষাট বছর বয়সী দেশটির প্রধান বিচারপতি সাইয়েদ ইবরাহিম রইসি। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক প্রাথমিক ফলাফলে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী জামাল আরাফ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মোট দুই কোটি ৮৬ লাখ ভোটার অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ  ভোট গণনার পর প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী ৬২ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হচ্ছেন ইবরাহিম রইসি। তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা এক কোটি ৭৮ লাখ। তার নিকটবর্তী মোহসেন রেজায়ি পেয়েছেন ১১ শতাংশ। তিনি পেয়েছেন ৩৩ লাখ ভোট। একমাত্র সংস্কারপন্থী প্রার্থী ও ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর আবদুন নাসের হেমমাতি পেয়েছেন আট শতাংশ ভোট। তিনি ২৪ লাখ ভোট পেয়েছেন। চতুর্থ প্রার্থী আমির হোসাইন কাজীজাদেহ হাশেমি ৩ শতাংশ ভোট। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ১০ লাখ। 

 ইরানে মোট পাঁচ কোটি ৯৩ লাখ ১০ হাজার তিন শ' সাতজন নিবন্ধিত ভোটার রয়েছেন। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেয়া হিসাব অনুযায়ী মোট ভোটারের ৪৮.২৩ শতাংশ ভোটার নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন, যা দেশটির ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিম্নতম ভোটার অংশ গ্রহণের রেকর্ড।

এর আগে ১৯৯৩ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সর্বনিম্ন ভোটার উপস্থিত হয়েছিলেন। ওই সময় দেশটির মোট ভোটারের ৫০.৬৬ শতাংশ নির্বাচনে ভোট দেন।

এদিকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগেই বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে ইবরাহিম রইসিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অপর তিন প্রার্থী।

নির্বাচনে একমাত্র সংস্কারপন্থী প্রার্থী আবদুন নাসের হেমমাতি ইনস্টাগ্রামে দেয়া এক বার্তায় রইসিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, 'আমি আশা করি আপনার সরকার সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নেতৃত্বের অধীনে আমাদের জাতির জন্য শান্তি ও উন্নতি বয়ে আনবে।'

আমির হোসাইন কাজীজাদেহ হাশেমি তার অভিনন্দন বার্তায় বলেন, 'আমি রইসিকে অভিনন্দন জানিয়েছি, জাতির দ্বারা নির্বাচিত হওয়ায়।'

ইবরাহিম রইসির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোহসেন রেজায়ি এক টুইট বার্তায় তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, 'ইনশাআল্লাহ, আমার সম্মানিত ভাই আয়াতুল্লাহ ড. সাইয়েদ ইবরাহিম রইসির সিদ্ধান্ত নির্ধারণী এই নির্বাচন এক শক্তিশালী জনগণের সরকার গঠনের মাধ্যমে দেশের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি বহন করবে।'

এর আগে এক বিবৃতিতে ইরানের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি কারো নাম উল্লেখ ছাড়াই 'জনগণের নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে' অভিনন্দন জানান।

বিবৃতিতে তিনি নির্বাচনে 'ঐতিহাসিক ও বিরল উপস্থিতির' জন্য ইরানের জনগণ ও সর্বোচ্চ নেতাকে ধন্যবাদ জানান।




1) কোন কোন মোবাইল বন্ধ হবে? আর কোন কোন সেট চালু থাকবে?

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামি জুলাই থেকে যেসব মোবাইল সেট বন্ধ হবে তা জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

বিটিআরসির জনসংযোগ কর্মকর্তা জাকির হোসেন খান বলেন, ‘যেসব ভ্যান্ডর বিটিআরসির অনুমোদন নিয়ে হ্যান্ডসেট আমদানি করে বাজারজাত করেছেন, তাদের আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি) নম্বর আমাদের ডেটাবেজে সংযোজন আছে। সেই সেটগুলো সচল থাকবে।‘আর যেসব সেট বাজারে আছে অথচ আমাদের ডেটাবেজে আইএমইআই নম্বর সংযোজন নেই, আমাদের সিস্টেম সেই সেটগুলোকে সক্রিয় করতে দেবে না।

2) হাতে থাকা মোবাইলের কি হবে?


 আমরা এ ক্ষেত্রে গ্রাহকের হাতে থাকা সেটগুলো বিশেষ ব্যবস্থায় সচল রাখার ব্যবস্থা নিয়েছি, যাতে গ্রাহক পর্যায়ে ভোগান্তি তৈরি না হয়। তবে দোকানে থাকা (অবৈধ) সেটগুলো আর সচল হবে না।’এর আগে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিটিআরসি জানায়, বর্তমানে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত গ্রাহকের হ্যান্ডসেটগুলো ৩০ জুনের মধ্যে বিটিআরসির সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। ফলে ১ জুলাই থেকে এ সেটগুলো বন্ধ হবে না। তাই সবাইকে এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করা হলো।

3) বিটিআরসি কেন এ কাজ করছে?

মোবাইল ফোন গ্রাহকের হ্যান্ডসেটের নিরাপত্তা বিধান ও সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াতে জুলাই মাস থেকে অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট বন্ধ করে দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছিল বিটিআরসি।এ প্রক্রিয়ায় অবৈধ ও নকল মোবাইল হ্যান্ডসেটগুলো বন্ধ করার কথা বলেছিল সংস্থাটি। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অবৈধ ও নকল মোবাইল হ্যান্ডসেটের বিক্রয়, আমদানি ও বাজারজাতকরণে নিরুৎসাহিত করতে এটি বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত নেয় বিটিআরসি। বিটিআরসি জানায়, এনইআইআর সিস্টেম সম্পন্ন হলে সরকার প্রতি বছর চার হাজার কোটি টাকার মতো বাড়তি রাজস্ব পাবে।

4) তাহলে বিদেশ থেকে আসা মোবাইল সেটগুলোর কি হবে?

তবে বিদেশ থেকে কেনা বা উপহার হিসেবে পাওয়া মোবাইল সেটগুলোকে নিবন্ধনের সুযোগ দেয়া হবে। বিদেশ থেকে নিয়ে আসা হ্যান্ডসেট গ্রাহকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এনইআইআরের ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে ক্রয়ের রশিদ যাচাই সাপেক্ষে এবং যেসব সেট উপহার হিসেবে দেশে এসেছে তা যথেষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে কমিশনের সিদ্ধান্তের আলোকে এনইআইআরে সক্রিয় করা হবে।

একই আইএমইআই নম্বরের সেটগুলোর তালিকা করে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চালু থাকবে। তারপর সরকারের নির্দেশনায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আর পুরোনো সেটের বিষয়ে বিটিআরসির সিস্টেমে ভেরিফাই করে চালু করা হবে।

 কাগজপত্র দেখিয়ে নিজেই ওয়েবসাইট, মোবাইল ফোন অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার থেকে নিবন্ধন করে নিতে পারবেন।

রোহিঙ্গাদের পর মিয়ানমার ছেড়ে পালাচ্ছে জান্তা বিরোধীরা


দেশের পাশ্ববর্তী জান্তা প্রভাবিত রাষ্ট্র মিয়ানমারে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে সেনা অভ্যুত্থানে এ পর্যন্ত দেশটির ৯ হাজারেরও বেশি নাগরিক ভারতের মিজোরাম রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দেশটির একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও রয়েছেন। আজ ১৬ই জুন ২০২১ বুধবার মিজোরামের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। মিয়ানমারের সঙ্গে ভারতের মিজোরাম রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রের তথ্যমতে, মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর এ পর্যন্ত দেশটির ৯ হাজার ২৪৭ জন নাগরিক আশ্রয়ের জন্য মিজোরামে প্রবেশ করেছেন।মিজোরামে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের নাগরিকদের মধ্যে দেশটির ক্ষমতাচ্যুত দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)র বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা রয়েছেন। রয়েছেন দেশটির চিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সালাই লিয়ান লুয়াই, যাকে ২০১৬ সালে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। গত সোমবার রাতে তিনি সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, মিয়ানমারের ২৪ জন আইনপ্রণেতা রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আশ্রয় নিয়েছেন। যারা বিশেষ করে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন। উল্লেখ্য, চিন রাজ্যটি মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। এ রাজ্যের সঙ্গে মিজোরামের ছয় জেলার ৫১০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে।










প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জনের পথে অন্তরায় (পিডিএফ ফাইল)

https://1drv.ms/b/s!Ao9JTS6_hGHmiyesuBsrHJY-3K8W?e=m7vvz9 

অভিভাবক ছাড়াই নারীদের হজে যাওয়ার অনুমতি


এবার
 কোনো ধরণের পুরুষ অভিভাবক ছাড়াই নারীদের হজে যাওয়ার অনুমতি দিল সৌদি আরব। ১৩ জুন ২০২১ রোববার  হজ ও ওমরা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যমে  এই সংবাদ জানােনা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, কোনো মাহরাম বা পুরুষ আত্মীয় সাহচর্যের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই নারীরা হজের আবেদন করতে পারবেন।

মহামারী করোনা সংক্রমণের কারণে চলতি বছরেও বিদেশি কেউ হজের অনুমতি পাচ্ছেন না। সৌদি আরবের নাগরিকদের মধ্যে যারা গত পাঁচ বছর হজ করেননি, কেবল তাদের মধ্যে থেকে মাত্র ৬০ হাজার ব্যক্তি হজের অনুমতি পাচ্ছেন। হজের জন্য ১৫ থেকে ৬৫ বছর বয়সীরাই শুধু অনুমতি পাবেন। তিনটি ভিন্ন ভিন্ন প্যাকেজের আওতায় এই বছর হজ পরিচালনা করা হচ্ছে। ব্যাপক সংক্রমণের কারণে গত বছর প্রথম বারের মেতা বিদেশী নাগরিকদের হজ পালনে নিষেধাজ্ঞা দেয় মক্কা-মদিনার অভিভাবকেত্মর দায়িত্ব পালনকারী সৌদি আরব। দেশটির নাগরিক ও বাসিন্দাদের মধ্যে মাত্র ১০ হাজার ব্যক্তিকে করোনা সংক্রান্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে হজের সুযোগ দেয়া হয়।






এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে আবারও সিদ্ধান্ত দিলেনঃ ডা. দীপু মনি


 এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন 
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি । আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে গণমাধ্যম কর্মিদের তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, কিন্তু করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছি। 

 এখনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি রয়েছে, তবে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে স্কুল-কলেজ খুলে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা হবে। তিনি বলেন, চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্বেগটা অনেক বেশি। আমরা চেষ্টা করছি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে তাদের পরীক্ষা নেয়ার। যদি সেটা সম্ভব না হয় তবে বিকল্প চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। এজন্য আমরা বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষাব্যবস্থা চালিয়ে যাচ্ছি।

 টেলিভিশন, অনলাইন ও অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা করার সুযোগ পাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ডা. দীপু  বলেন, পরীক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই, তোমরা বাসায় বসে নিয়মিত পড়ালেখা করে সিলেবাস শেষ করবে। তার সাথে সুস্থ থাকতে হবে। জীবন থেকে এক বছর চলে গেলেও কিছু হবে না, তার চাইতে সুস্থ থাকাটা বড় বিষয় বলে তিনি পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষাব্যবস্থার যে ক্ষতি হচ্ছে তা কাটিয়ে ওঠার জন্য নানা পদক্ষেপ হাতে নেয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য,গেল বছরের ১৭ই মার্চ থেকে দেশের সবকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে


সাকিব আল হাসানকে ভিলেন বানানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছে তার স্ত্রী শিশির

 




সাকিবকে কোনোভাবেই যেন পিছু ছাড়ছে না বিপদ, আবাহনীর বিপক্ষে মাঠের ক্রিকেটে অশোভন আচরণ করায় মোহামেডান অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে ৪ ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোহামেডান ক্রিকেট কমিটির প্রধান মাসুদুজ্জামান। তিনি বলেন, আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচে আচরণবিধি ভাঙায় চার ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন সাকিব। শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীর বিপক্ষে ইনিংসের পঞ্চম ওভারের পঞ্চম বলে সাকিবের আউটের আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। ওই ওভারেই আবাহনীর অধিনায়ক সাকিবকে হাঁকান একটি চার ও একটি ছক্কা।

পঞ্চম বলে সাকিব এলবিডব্লিউর আবেদন করলে আম্পায়ার সাড়া দেননি। এতে মেজাজ হারিয়ে সাকিব নন-স্ট্রাইকিং প্রান্তের স্টাম্পে লাথি মেরে ভেঙে দেন।

৫.৫তম ওভারের সময় তুমুল বৃষ্টি নামলে আম্পায়ার মাহফুজুর রহমান খেলা বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন। তিনি যখন মাঠকর্মীদের কাভার আনার ইশারা দিচ্ছেন, তখন সাকিব আম্পায়ারের দিকে এগিয়ে গিয়ে তিনটি স্টাম্পই তুলে উইকেটের ওপর ছুড়ে মারেন। তিনি এ সময় আম্পায়ারকে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়ে কিছু একটা বলছিলেন।

বৃষ্টির সময়ে খেলোয়াড়েরা যখন মাঠ ত্যাগ করছিলেন, তখনো নিজেকে সামলাতে বেশ কষ্ট হচ্ছিল সাকিবের। তিনি এ সময় আবাহনীর ড্রেসিংরুমের দিকে তাকিয়ে কিছু বললে ক্ষেপে গিয়ে তেড়ে আসেন আবাহনীর কোচ মাহমুদ সুজন। এগিয়ে যান সাকিবও। মোহামেডানের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার তখন জাপটে ধরে থামান সাকিব আল হাসানকে। খালেদ মাহমুদ সুজনকে থামান মোহামেডানের শামসুর রহমান শুভ।

এদিকে সাকিব আল হাসানকে ভিলেন বানানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর স্ত্রী শিশির। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে সাকিব নিজেই ভক্ত ও অনুসারীদের নিকট  মাঠের  আচরণ বিষয়ে আগেই ক্ষমা চেয়েছিলেন, যদিও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত  পক্ষে বিপক্ষে চলছে তুমুল তর্ক-বিতর্ক। চোখে পড়েছে অসংখ্য ফেইসবুক স্ট্যাটাস।





দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি পাঁচ তলা ভবন ভাঙতে গিয়ে অন্তত নয়জন নিহত

 


বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বাসস জানিয়েছে,
 দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি পাঁচ তলা ভবন ভাঙতে গিয়ে অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। দেশটির কর্মকর্তারা এ খবর জানান।

দেশটির ন্যাশনাল ফায়ার এজেন্সি জানিয়েছে। ৯ জুন ২০২১ রোজ বুধবার রাজধানী সিউলের দক্ষিণ পশ্চিমের গুয়াংজু শহরে ভবনটি ভাঙার সময় এর সামনে এসে একটি বাস থামে। বাসটির ওপর ভবনটি ধসে পড়লে এর ভেতরে থাকা ১৭ যাত্রীর নয়জনই ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান। বাকিরা মারাত্মকভাবে আহত হন। 

এদিকে ভবনটি ধসে পড়ার আগেই এ কাজে নিয়োজিত সকল শ্রমিককে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে

মেধাবী ছাত্রী উম্মে হাবীবাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন


 কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের চাকবৈঠা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী উম্মে হাবীবা। চাকবৈঠা ইউনিয়নের বাসিন্দা মাহবুবুল আলমের মেয়ে।

স্বপ্ন ছিল পড়ালেখা করে এক দিন বড় হয়ে ডাক্তার হবে। সমাজ ও দেশের মানুষের সেবা করবে। কিন্তু সেই স্বপ্ন মরণব্যাধী ক্যান্সার কেড়ে নিতে চলেছে বলাই চলে ।   রিকশাচালক দরিদ্র বাবার আর্থিক দৈন্যতা ও চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে মেধাবী ছাত্রী উম্মে হাবীবা। শরীরে ধরা পড়েছে ব্লাড ক্যান্সার।


তার বাবা মাহবুবুল আলম কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি এমন এক হতভাগ্য বাবা যে কি-না সারারাত মেয়ের আহাজারি শুনি। কিন্তু মেয়ের জন্য কিছুই করতে পারি না। আমি গরীব মানুষ। বয়সও হয়েছে। কোনো মতে রিকশা চালিয়ে সংসার চালাই। কিন্তু টাকার অভাবে ভালো চিকিৎসা দিতে না পারায় আমার মেয়ে উম্মে হাবিবা এখন ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু সজ্জায়। আমার সহায়-সম্বল যা ছিল তা দিয়ে চিকিৎসা করালেও অর্থিক দৈন্যতার কারণে সঠিক সময়ে কেমো থেরাপিগুলো পর্যন্ত দিতে পারছি না। এভাবে চলতে থাকলে আমার মেয়েটি চোখের সামনেই মরে যাবে বলে কেঁদে উঠেন তিনি।

উম্মে হাবীবার বাবা মাহবুবুল আলম আরো জানান, গত এক মাস আগে উম্মে হাবীবার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, উম্মে হাবীবাকে বাঁচাতে হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নিতে হবে। এ অবস্থায় ঢাকা নিয়ে চিকিৎসা করানোর মতো সামথ্য আমার নেই।

ব্লাড ক্যান্সার আক্রান্ত উম্মে হাবীবার রিকশাচালক বাবা দেশের দানশীল, বিত্তবানদের কাছে সাহায্য কামনা করেছেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, বিত্তবানরা যদি এরকম ব্লাড ক্যান্সার আক্রান্ত মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে একটু দয়ার হাত বাড়ান তাহলে এই মেধাবী মেয়েটিকে বাঁচানো সম্ভব হবে। অন্যথায় চোখের সামনেই পৃথিবী থেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে একটি মেধাবী মুখ ও তার লালিত স্বপ্ন।

আর্থিক সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম :
১. 01820-082089 (মাহবুবুল আলম, মেয়ের বাবা, বিকাশ পার্সোনাল)

২. 01871-603898 (মুহাম্মদ আনিস, যিনি মেয়েটির চিকিৎসার বিষয়টি দেখাশোনা করছেন, বিকাশ পার্সোনাল)

৩. 01812-766893 (রিদওয়ানুল কাদির, বিকাশ ও নগদ পার্সোনাল)



গভীর রাতে ক্লাস নিলেন ভিসি -ফেইসবুকে চলছে বেশ আলোচনা-সমালোচনাঃ

 গভীর রাতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ভিসি নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর একটি ক্লাস করানো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে  চলছে বেশ আলোচনা-সমালোচনা।

 ৯ জুন ২০২১ রোজ বুধবার রাত ৩টার থেকে জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের একটি শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিয়েছেন তিনি।

এ ক্লাসে অংশ নেয়া এক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, বুধবার দিবাগত রাত তিনটায় দিকে ক্লাসটি শুরু হয়। শেষ হয় রাত ৩টা ৫৫ মিনিটে।


এই ক্লাসে অংশ নেয়া আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের ক্লাস ছিল এটি। ক্লাস নেবেন বলে স্যার আগে থেকেই জানিয়ে রেখেছিলেন। স্যারের নির্দেশ মতো আমরা ২৮ শিক্ষার্থী এই অনলাইন ক্লাসে অংশ নিই। প্রায় এক ঘণ্টা ক্লাস চলে। তবে গভীর রাতে ক্লাস হওয়ায় অনেকেই থাকতে পারেননি। তবে শেষ পর্যন্ত কতজন ছিলেন, তা জানি না।’

বেরোবির শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংগঠন ‘অধিকার সুরক্ষা পরিষদে’র আহ্বায়ক ও ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মতিউর রহমান বলেন, ‘এটি কোনো সুস্থ মানুষের কাজ হতে পারে না। তার আসলে মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন। যারা তার কাছের লোকজন রয়েছেন তাদের উচিত অধ্যাপক কলিমউল্লাহর মানসিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।’

তিনি আরো বলেন, ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ গত ৩১ মে ভিসি হিসেবে তার মেয়াদ শেষ করেছেন। তিনি কীভাবে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেন?

শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী হত্যা মামলার প্রধান আসামি যুবদল নেতা মুকুল গ্রেপ্তার

🚨 শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী হত্যা: প্রধান আসামি যুবদল নেতা মুকুল গ্রেপ্তার 📍 সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি | Time tv24 গাইবান্ধার স...