নয় বছর পর খালাস পেলেন সেই ডতিন ছাত্রী

নিচের HTML কোডটি সংবাদ আকারে সাজানো হয়েছে: দীর্ঘ ১০ বছর পর তিন শিক্ষার্থীর খালাস

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে তিন শিক্ষার্থীর খালাস

প্রতিবেদক | বিশেষ সংবাদ

শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিলেন তিন শিক্ষার্থী। প্রায় এক দশক ধরে চলা আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে আদালত তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট বদিউল আলম সুজন বলেন, পরিবারের সদস্যরা চাইলে রাষ্ট্রের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন। সেক্ষেত্রে তারা আইনগত সহায়তা দিতে প্রস্তুত। পাশাপাশি মামলার পেছনে কারা ভূমিকা রেখেছিল, তা তদন্ত করে তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৭ জুলাই রাতে কুমিল্লা শহরের নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলে পুলিশ, র‌্যাব, সিআইডি এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় হলের ২০২ নম্বর কক্ষে অবস্থানরত তিন শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তাদের কক্ষে তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশির সময় কক্ষ থেকে কয়েকটি ধর্মীয় ও ইসলামী বিষয়ক বই জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ছিল ড. জাকির নায়েকের লেকচার সমগ্র, ‘আদর্শ পরিবার পরিবেশ’, ‘পরকালের প্রস্তুতি’ এবং ‘ইসলামী আন্দোলনের পথ ও পাথেয়’ শীর্ষক গ্রন্থ।

পরে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশির পর ওই তিন শিক্ষার্থীকে জঙ্গিবাদের অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় নেওয়া হয়। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

ঘটনাটি সে সময় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। কিছুদিন কারাভোগের পর তারা উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করেন।

এরপর মামলাটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং উচ্চ আদালতসহ বিভিন্ন বিচারিক ধাপ অতিক্রম করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার একপর্যায়ে আদালত অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ না পাওয়ায় গত ২৪ মে তিন শিক্ষার্থীকে খালাসের আদেশ দেন।

রায় ঘোষণার পর শিক্ষার্থীরা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, প্রায় এক দশক ধরে চলা একটি কঠিন অধ্যায়ের অবসান হয়েছে। আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তারা মন্তব্য করেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

মামলার শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের পক্ষে আইনি সহায়তা প্রদান করেন অ্যাডভোকেট শহীদ উল্লাহ, অ্যাডভোকেট বদিউল আলম সুজন এবং অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম মনির।

বগুড়ার শেরপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই তরুণের

Time tv24 News
🚨 Time tv24
বগুড়ার শেরপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ 💔

বগুড়ার শেরপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় দুই তরুণ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও চারজন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শেরপুর-কাজীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের শুভগাছা সাফলজানি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

🕯️ নিহতরা হলেন—

🔹 আবু রায়হান (১৮)
শেরপুর পৌর শহরের উলিপুর মহল্লার হারুনুর রশিদের ছেলে। তিনি বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ছিলেন।

🔹 তামিম হোসেন (১৮)
শেরুয়া বটতলা এলাকার ফুলতলা গ্রামের প্রবাসী নান্নু মিয়ার ছেলে। তিনি শেরউড ইন্টারন্যাশনাল School & College-এর একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

🚑 আহত হয়েছেন মো. রাজন, মো. সিয়াম, মো. হাসান ও মো. ছামির। তাঁদের প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

👥 প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঈদের দিন সড়ক ফাঁকা থাকায় মোটরসাইকেলগুলো দ্রুতগতিতে চলছিল। ধুনট থেকে শেরপুরগামী দুটি মোটরসাইকেল এবং বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনটি মোটরসাইকেলই দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ছয় আরোহী গুরুতর আহত হন।

🏥 শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর চিকিৎসক আবু রায়হানকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বগুড়ায় নেওয়ার পথে মারা যান তামিম হোসেন।

👮 শেরপুর থানার এসআই বিকাশ চক্রবর্তী জানান, দুর্ঘটনাকবলিত তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

⚠️ বেপরোয়া গতি কেড়ে নিচ্ছে তরুণ প্রাণ। নিরাপদ সড়ক গড়তে সচেতনতা জরুরি।

সীতাকুণ্ডে র‌্যাব-পুলিশ ক্যাম্পে রাতভর সশস্ত্র হামলা, যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত

সীতাকুণ্ডে র‌্যাব-পুলিশ ক্যাম্পে হামলা

সীতাকুণ্ডে র‌্যাব-পুলিশ ক্যাম্পে রাতভর সশস্ত্র হামলা, যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা জঙ্গল ছলিমপুর ও আলীনগরে অবস্থিত র‌্যাব ও পুলিশের দুটি ক্যাম্পে রাতভর একযোগে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার পর সোমবার সকাল থেকে পুরো এলাকা ঘিরে যৌথ বাহিনীর ব্যাপক অভিযান চলছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, হামলার আগে সন্ত্রাসীরা আলীনগরের তিনটি এবং জঙ্গল ছলিমপুরের দুটি পয়েন্টে এক্সকাভেটর দিয়ে রাস্তা কেটে দেয়। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সদস্যদের পায়ে হেঁটে প্রায় ৩ হাজার একর পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে সন্দেহভাজন কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সূত্র জানায়, রোববার দিবাগত রাত ১২টার পর বৃষ্টিপাত শুরু হলে পুরো পাহাড়ি এলাকায় নেমে আসে নিস্তব্ধতা। রাত ১টার দিকে জঙ্গল ছলিমপুর ও আলীনগরে থাকা র‌্যাব ও পুলিশের ক্যাম্পে একযোগে হামলা চালায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। হামলাকারীরা ৪০ থেকে ৫০ জনের দলে বিভক্ত হয়ে দুই ক্যাম্প লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি ছোড়ে।

হঠাৎ এই হামলায় প্রথমে কিছুটা হতবিহ্বল হয়ে পড়লেও দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিয়ে পাল্টা গুলি চালায় র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরা। হামলাকারীরা ক্যাম্পে প্রবেশের উদ্দেশ্যে র‌্যাব ক্যাম্পের একটি সীমানাপ্রাচীরও এক্সকাভেটর দিয়ে ভেঙে ফেলার চেষ্টা করে।

রাত সাড়ে ৩টা পর্যন্ত উভয় পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে গুলিবিনিময় চলে। খবর পেয়ে রাতেই অতিরিক্ত ফোর্স ঘটনাস্থলের আশপাশে অবস্থান নেয়। পরে পরিস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারীরা ধীরে ধীরে পিছু হটতে শুরু করে।

র‌্যাব-৭-এর কমান্ডিং কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, রাত ১টার পর হঠাৎ ক্যাম্পের চারপাশে গুলির শব্দ বেড়ে যায় এবং প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে হামলাকারীরা গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান।

জঙ্গল ছলিমপুর র‌্যাব ক্যাম্পে দায়িত্বে থাকা এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, হামলাকারীরা একে-৪৭সহ ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গুলির তীব্রতা দেখে মনে হয়েছে হামলায় ৪০ থেকে ৫০ জন অংশ নেয়।

হাফিজুর রহমান বলেন, “আমাদের সদস্যরা নিরাপদে আছেন। বর্তমানে যৌথ বাহিনী এলাকায় প্রবেশ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কাজ করছে।” তিনি আরও বলেন, “হামলাকারীরা সংঘবদ্ধ এবং আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত। পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় তারা চোরাগোপ্তা হামলার সুযোগ নিতে চেয়েছে।”

ভোর ৫টার দিকে র‌্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর পাঁচ শতাধিক সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী অভিযান শুরু করে। র‌্যাবের দাবি, র‌্যাব সদস্য হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি ‘ইয়াসিন বাহিনী’র সদস্যরাই সংঘবদ্ধভাবে এই হামলা চালিয়েছে।

অভিযানে অংশ নেওয়া জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, এলাকায় বিপুলসংখ্যক সাধারণ দরিদ্র মানুষের বসবাস থাকায় অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অভিযান চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে রাস্তা কেটে ফেলায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং সদস্যদের পায়ে হেঁটে অভিযান পরিচালনা করতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, জঙ্গল ছলিমপুর এলাকাকে ঘিরে সরকার পুলিশ ট্রেনিং একাডেমি, জেলা কারাগারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ঈদের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা পরিদর্শন করে নতুন কয়েকটি প্রকল্প ঘোষণা দেওয়ার কথা রয়েছে।

খুলনায় ঘরে ঢুকে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

খুলনার কয়রায় ওষুধ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা
🚨 BREAKING NEWS | খুলনার কয়রায় নৃশংস হত্যাকাণ্ড
News Image
অপরাধ
খুলনার কয়রায় ঘরে ঢুকে ওষুধ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, স্ত্রীও আহত
📅 ১৮ মে, ২০২৬ 📍 কয়রা, খুলনা 🕐 রাত ১টা

খুলনার কয়রায় ঘরে ঢুকে এক ওষুধ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার স্ত্রী বাধা দিলে তাকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। রোববার (১৭ মে) রাত ১টার দিকে উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের মহেশ্বরীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিচয়

নিহত ভবতোষ মৃধা (৪০) মহেশ্বরীপুর গ্রামের যশো মৃধার ছেলে। গিলাবাড়ি বাজারে তার একটি ওষুধের দোকান রয়েছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত সিঁধ কেটে ভবতোষ মৃধার ঘরে প্রবেশ করে। বিষয়টি টের পেয়ে গেলে হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং একপর্যায়ে তার শ্বাসনালি কেটে দেয়।

এ সময় তার স্ত্রী স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ভবতোষ মৃধাকে উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

🗣 পুলিশের বক্তব্য

কয়রা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শাহ আলম জানান, “ব্যবসায়ী ভবতোষ মৃধা হত্যার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

এ ঘটনায় মহেশ্বরীপুর ও গিলাবাড়ি বাজার এলাকার ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

মারা গেছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর, চিত্রনাট্যকার ও তরুণ অভিনেত্রী কারিনা কায়সার

কারিনা কায়সারের মৃত্যু সংবাদ
শোক সংবাদ

অকালেই নিভে গেল তরুণ প্রতিভা — না ফেরার দেশে অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার

ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর, অভিনেত্রী ও চিত্রনাট্যকার কারিনা কায়সার।

🗓️ শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
📍 চেন্নাই, ভারত
📰 বিনোদন ডেস্ক
Karina
কারিনা কায়সারের অকাল মৃত্যুতে শোকাহত শোবিজ অঙ্গন

লিভার-সংক্রান্ত তীব্র জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর, চিত্রনাট্যকার ও তরুণ অভিনেত্রী কারিনা কায়সার। শুক্রবার (১৫ মে) ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বাবা ও বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় কায়সার হামিদ। এই প্রতিভাবান তরুণীর আকস্মিক বিদায়ের খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ দেশের শোবিজ অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

“চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত কারিনাকে আর বাঁচাতে পারেননি।”

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রথমে সাধারণ জ্বরে আক্রান্ত হলেও পরবর্তীতে তার শরীরে মারাত্মক সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ এবং ই-জনিত জটিলতার কারণে তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়।

ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা প্রথমে তার ফুসফুসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চিকিৎসা শুরু করেন এবং লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন।

কায়সার হামিদ জানান, ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের সময় হঠাৎ করেই কারিনার রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যায়। এরপর তাকে বাঁচাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হলেও শেষ পর্যন্ত সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে তরুণ দর্শকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন কারিনা কায়সার। কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও সাম্প্রতিক সময়ে তিনি নিজেকে একজন দক্ষ অভিনেত্রী ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছিলেন।

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এবং ছোটপর্দায় ধীরে ধীরে নিজের মেধার স্বাক্ষর রাখছিলেন তিনি। তার অভিনীত ও লেখা উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে আলোচিত ওয়েব সিরিজ ‘ইন্টার্নশিপ’ এবং ‘৩৬-২৪-৩৬’

কারিনার অকাল প্রয়াণে সহকর্মী, নির্মাতা, ভক্ত ও অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গভীর শোক প্রকাশ করছেন। অনেকেই বলছেন, দেশের ডিজিটাল বিনোদন অঙ্গনে এটি এক অপূরণীয় ক্ষতি।

কে এই রহস্যময় নারী? জুলাই রেভুলেশনের নেপথ্যে সাদিক কায়েমের সাহসী সঙ্গী জিনা তাসরিন!

রহস্যময় নারী
🔍 কে এই রহস্যময় নারী?
✊🔥 দ্যা স্ট্রাগল হিস্টোরি অফ জুলাই রেভুলেশন
📸 JULY REVOLUTION STORY

🖋️✨ ইমাম ও ইন্টেলিজেন্ট নারী সাংবাদিকের এক অবাক করা অধ্যায়!

জুলাই আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে পরিচয় হয়েছিল দু’জনের — একজন “সালমান”, আরেকজন সাহসী নারী সাংবাদিক জিনা তাসরিন

তখনও কেউ জানতো না, এই “সালমান” আসলে কে! না ছিল সরাসরি দেখা, না আগে কোনো পরিচয়।

📲⚡ তবুও আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, কৌশল ও কর্মসূচি—সবকিছুই অনলাইনে একসাথে পরিকল্পনা হতো।

😮 পরবর্তীতে জুলাই বিপ্লবের পর যখন জানা গেল “সালমান”-ই আসলে সাদিক কায়েম, আর তিনি আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি!

💭🔥 “শিবিরের ছেলেরা এত সাহসী, ধৈর্যশীল ও সংগ্রামী হয় কীভাবে?”

ইতিহাসের সেই উত্তাল সময়ে সাদিক কায়েমের পাশে থেকে পরিকল্পনা, সাহস আর কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এই নারী সাংবাদিক। 📰✊

⚔️ মাঠ ছাড়েননি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। হাসিনার পতনের আগ পর্যন্ত ছিলেন দৃঢ় অবস্থানে।

💍🌸 বিয়ের আসরেও দেখা যায় জুলাইয়ের সেই সংগ্রামী জুটিকে — সাদিক কায়েমের পাশে মহীয়সী সাংবাদিক জিনা তাসরিন

👀 অনেকেই মনে করতে পারবেন, সাংবাদিক জুলকার নাইন সায়ের ভাই এক “রহস্যময় নারীর” কথা বলেছিলেন…

✨ আজ অনেকে বলছেন — সম্ভবত তিনিই সেই নারী!

চট্টগ্রামে মাদ্রাসা শিক্ষককে পিটিয়ে মারার অভিযোগ

শোক সংবাদ

🚨 চট্টগ্রামে মাদরাসা সুপারকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

🕊️ শোক ও সমবেদনা

📍 চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা জামেউল উলুম দাখিল মাদরাসার সম্মানিত সুপার আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ কাশেম প্রতিপক্ষের হামলায় ইন্তেকাল করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

إِنَّا لِلَّٰهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ 🤲

📰 এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, চাচাতো ভাইদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক জমি দখল ও ঘর নির্মাণের চেষ্টা করছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

🏫 ঘটনার দিন সকালে তিনি মাদরাসায় অবস্থান করছিলেন। পরে বাড়িতে গন্ডগোল ও নিজ বোন আহত হওয়ার খবর পেয়ে দ্রুত বাড়িতে যান।

⚠️ অভিযোগ রয়েছে, সেখানে পৌঁছানোর পর প্রতিপক্ষ তাঁর ওপর হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পেরেকযুক্ত লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়।

🚑 তিনি প্রাণ বাঁচাতে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাঁকে ধরে বেদম মারধর করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।

💔 মরহুম মাওলানা মুহাম্মদ কাশেম অত্যন্ত নম্র, ভদ্র ও অমায়িক স্বভাবের মানুষ ছিলেন বলে পরিচিতজনরা জানান। তাঁর মৃত্যুতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

🤲 আল্লাহ তাআলা তাঁকে ক্ষমা করুন, শহীদের মর্যাদা দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সবরে জামীল নসিব করুন। আমীন।

⚖️ এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ডাকসুকে অকার্যকর করতে বিএনপিপন্থী ঢাবি প্রশাসনের কারসাজি

ডাকসু নিয়ে অভিযোগ

ডাকসুকে কার্যকর হতে না দেয়ার অভিযোগ

ডাকসুকে কার্যকর হতে না দেয়ার এক অশ্লীল প্রতিযোগিতায় নেমেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একটার পর একটা প্রজেক্ট আমরা গুছিয়ে আনি আর বিএনপি পন্থী প্রশাসন তা টেবিলেই আটকে দেয়।

ইউজিসি থেকে পরিবহন খাতে সাড়ে চার কোটি টাকা বরাদ্দ এনেছিলাম আমরা। বিসিবি থেকে ২ কোটি। আরো নানা খাতে নানা বাজেট। সব এসে আটকে যায় ওনাদের টেবিলে। কাজ আর মাঠে গড়ায় না—জাস্ট একটা সাইনের অভাবে।

গত ৬৫ বছরে সেন্ট্রাল মসজিদ সংস্কার হয়নি। আমরা উদ্যোগ নিয়েছি ওনারা বলেছেন পারবেন না। আমরা বাহির থেকে স্পনসর এনেছি। সাড়ে তিন কোটি টাকার কাজ হয়েছে। শুধু এসি চালানোর জন্য বিদ্যুৎ লাইন লাগবে, সেটাও তারা দেয়নি।

আমার সেক্টরের অনেকগুলো কাজ গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে, বিস্তারিত রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। শুধু ফর্মাল অনুমোদন প্রয়োজন ছিল, সেটিও হয়নি।

সর্বশেষ, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের চাওয়া শনিবারের বাসের ট্রিপও আজ আটকে দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ডাকসুকে ব্যর্থ প্রমাণ করার চেষ্টা চলছে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বর্তমান ডাকসুর নেতৃত্ব শিবির অধ্যুষিত এবং বড় রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জে নবীন বরনের নামে বিএনপির রাজনৈতিক সমাবেশ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কি রাজনৈতিক মঞ্চ হওয়া উচিত?
সচেতনতামূলক প্রতিবেদন
⚠️ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কি রাজনৈতিক মঞ্চ হওয়া উচিত?
সরকারি তোলারাম কলেজে “নবীন বরণ” অনুষ্ঠান ঘিরে নতুন আলোচনা

নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজে “নবীন বরণ” অনুষ্ঠানের নামে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক স্লোগান, দলীয় বক্তব্য এবং নেতাকর্মীদের সক্রিয় উপস্থিতি দেখা গেছে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের একাংশ অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

🎓 শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হওয়া উচিত জ্ঞানচর্চা, সংস্কৃতি ও মুক্ত চিন্তার কেন্দ্র — রাজনৈতিক প্রভাবের মঞ্চ নয়।

সচেতন মহলের মতে, নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করার আয়োজন হওয়া উচিত আনন্দমুখর, শিক্ষাবান্ধব ও অনুপ্রেরণামূলক পরিবেশে। সেখানে দলীয় বিভাজন বা রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শিক্ষাঙ্গনে অতিরিক্ত রাজনৈতিক প্রভাব বাড়লে অনেক সময় সাধারণ শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতা ও মতপ্রকাশে সংকোচবোধ করেন।

📚 “নবীন বরণ” যেন শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার উৎসব হয়, কোনো রাজনৈতিক প্রচারণার প্ল্যাটফর্ম নয়।

তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অনেকে।

ধ/র্ষণ মা/মলায় ফাঁ/সানো হয় ইমামকে, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল সন্তানের পিতৃপরিচয়

ডিএনএ পরীক্ষায় নির্দোষ প্রমাণিত ইমাম মোজাফফর
🚨 অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষায় নির্দোষ প্রমাণিত ইমাম মোজাফফর
পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ

ফেনীর পরশুরামে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া স্থানীয় জামে মসজিদের ইমাম মোজাফফর আহমদ অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষায় নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন। একই সঙ্গে তদন্ত ও ডিএনএ রিপোর্টে বেরিয়ে এসেছে কিশোরীর ভূমিষ্ঠ সন্তানের প্রকৃত পিতৃপরিচয়।

জানা গেছে, জেলার পরশুরাম উপজেলার এক কিশোরী (১৪) ২০১৯ সালে স্থানীয় মক্তবে পড়াশোনা শেষ করে। পাঁচ বছর পর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে সন্তান প্রসব করলে পরিবারের পক্ষ থেকে ওই মক্তবের শিক্ষক ও স্থানীয় জামে মসজিদের ইমাম মোজাফফর আহমদের (২৫) বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়।

২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর কিশোরীর মা বাদী হয়ে পরশুরাম মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পরে ২৬ নভেম্বর অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে আদালতে পাল্টা মামলা করতে গেলে আদালত প্রাঙ্গণ থেকেই মোজাফফরকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

⚖️ প্রায় ১ মাস ২ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান মোজাফফর আহমদ।

মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযুক্ত মোজাফফর আহমদ ও কিশোরীর সংরক্ষিত ভ্যাজাইনাল সোয়াব ঢাকার মালিবাগে সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ভ্যাজাইনাল সোয়াবে পুরুষের বীর্যের উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি।

ফলে মোজাফফরের ডিএনএর সঙ্গে তুলনামূলক মতামত দেওয়া সম্ভব হয়নি। এরপর কিশোরী ও তার ভূমিষ্ঠ হওয়া শিশু কন্যার জৈবিক পিতা শনাক্তে নতুন করে ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করে পুলিশ।

তদন্ত চলাকালে জিজ্ঞাসাবাদে কিশোরী একপর্যায়ে স্বীকার করে, তার আপন বড় ভাই (২২) দীর্ঘদিন ধরে তাকে ধর্ষণ করে আসছিল। বিষয়টি আড়াল করতে পরিবারের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে স্থানীয় ইমাম মোজাফফরকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেন।

পরে ২০২৫ সালের ১৯ মে অভিযুক্ত ভাইকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। পরদিন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে আপন বোনকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন তিনি।

🧬 ডিএনএ পরীক্ষায় শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে অভিযুক্ত ভাইয়ের সঙ্গে ৯৯.৯৯ শতাংশ মিল পাওয়া যায়।

একই প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়, কারাভোগ করা মোজাফফর আহমদ ওই শিশুর জৈবিক পিতা নন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পরশুরাম মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক শরীফ হোসেন অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, মোজাফফর আহমদের বিরুদ্ধে আনিত ধর্ষণের অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। ফলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ৯(১) ধারার মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে, ওই কিশোরীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে একই ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি ফেনী জেলা কারাগারে রয়েছেন।

💬 পরশুরাম মডেল থানার ওসি মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, “ডিএনএ পরীক্ষায় প্রকৃত সত্য সামনে আসার পর ওই ইমামের নাম চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।”

সব বাধা পেরিয়ে জয়—কেরালায় ইতিহাস গড়লেন ফাতেমা

Time tv24 - কেরালায় ইতিহাস গড়লেন ফাতেমা তাহলিয়া
তারিখ: 03 May 2026
কেরালায় ইতিহাস গড়লেন হিজাবি ফাতেমা তাহলিয়া
বাম ঘাঁটি পেরাম্ব্রায় চমক, সিপিআই(এম) নেতাকে হারিয়ে মুসলিম লীগের প্রথম নারী এমএলএ

কেরালার রাজনীতিতে চমক সৃষ্টি করে বামপন্থীদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত পেরাম্ব্রা বিধানসভা কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন ফাতেমা তাহলিয়া। ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগের (আইইউএমএল) এই প্রার্থী এলডিএফ আহ্বায়ক এবং সিপিআই(এম)-এর প্রবীণ নেতা রামকৃষ্ণানকে পরাজিত করে ঐতিহাসিক এই জয় ছিনিয়ে নেন।

৩৪ বছর বয়সী ফাতেমা তাহলিয়া মোট ৬৩,৯৯৯ ভোট পেয়ে ৪,৭০০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। এর মাধ্যমে তিনি মুসলিম লীগের ইতিহাসে প্রথম নারী বিধায়ক (এমএলএ) হিসেবে নিজের নাম লিখিয়েছেন।

কোঝিকোড জেলার পেরুভায়ালে জন্ম নেওয়া তাহলিয়া ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমেই পরিচিতি পান। তিনি মুসলিম স্টুডেন্ট ফেডারেশনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং পরে কোঝিকোড কর্পোরেশনের কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি মুসলিম ইউথ লীগের রাজ্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

পেশায় আইনজীবী তাহলিয়া কোঝিকোড সরকারি আইন কলেজ থেকে বিএ এলএলবি এবং ত্রিশুর সরকারি আইন কলেজ থেকে এলএলএম সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি কালিকট জেলা আদালতে আইন পেশায় যুক্ত আছেন।

তবে তার এই জয় সহজ ছিল না। প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই তাকে তীব্র সাইবার হামলা ও অনলাইন নিগ্রহের মুখোমুখি হতে হয়। বিশেষ করে হিজাব পরিহিত একজন তরুণী মুসলিম নারী হিসেবে তার সক্ষমতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়। তবুও তিনি সাহসিকতার সঙ্গে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেন।

নির্বাচনের সময় ‘কওমিন্টে কুট্টি’ ইস্যু নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। ইউডিএফ অভিযোগ তোলে যে, এলডিএফ-এর প্রচারণায় তাকে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগও জমা পড়ে।

সব বাধা ও বিতর্ক পেরিয়ে পেরাম্ব্রা আসনে ফাতেমা তাহলিয়ার এই জয় কেরালা রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাম আধিপত্যের ঘাঁটিতে এই ফলাফল রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে বিবেচিত হবে।

“চবি ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে একাধিক তরুণীকে হয়রানির অভিযোগ!” — সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড় 🎯

চবি ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

🚨 “চবি ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে একাধিক তরুণীকে হয়রানির অভিযোগ!” — সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড় 🎯

চট্টগ্রাম: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি পোস্ট ঘিরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম উদ্দীন একাধিক তরুণীকে অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা পাঠিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরক্ত করে আসছিলেন। 📩

ভুক্তভোগীদের একজন হিসেবে নাজিফা তাসনিম প্রিয়ন্তী-র নাম সামনে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনিও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা নিশ্চিত করেছেন।

💬 সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, প্রিয়ন্তীই প্রথম নন—এর আগেও বেশ কয়েকজন মেয়ে একই ব্যক্তির কাছ থেকে অশোভন আচরণের শিকার হয়েছেন।

🔥 বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে নিন্দার ঝড় উঠেছে। অনেকেই ভুক্তভোগীদের সাহসী অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।

❗ তবে এখনো অভিযুক্ত শামীম উদ্দীন-এর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

📌 শিক্ষার্থীদের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর না ঘটে।

শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী হত্যা মামলার প্রধান আসামি যুবদল নেতা মুকুল গ্রেপ্তার

🚨 শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী হত্যা: প্রধান আসামি যুবদল নেতা মুকুল গ্রেপ্তার 📍 সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি | Time tv24 গাইবান্ধার স...