শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের জন্মনিবন্ধন কাজে ব্যবহৃত ল্যাপটপ চুরি হয়ে গেছে। এতে নাগরিকদের জরুরি সেবা সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—
👉 নৈশপ্রহরী সেই রাতে করছিল কী?
নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি মাসের পর মাস বেতন নিচ্ছে, অথচ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চুরির ঘটনা ঘটলো তার চোখের সামনে! এটি দায়িত্ব অবহেলা নয়, বরং চুরির সাথে সরাসরি জড়িত থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যায় না।
চুরি প্রমাণ করে:
- ⚠️ ইউনিয়ন পরিষদে নিরাপত্তা নেই।
- ⚠️ নৈশপ্রহরী তার দায়িত্বে অবহেলা করেছে।
- ⚠️ তার ভূমিকা সবচেয়ে সন্দেহজনক।
❌ জনগণের টাকায় বেতন নিয়ে দায়িত্বে গাফিলতি মেনে নেওয়া যায় না।
👉 নৈশপ্রহরীকে কঠোরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে ভবিষ্যতে আরও বড় চুরি বা নাশকতার ঘটনা ঘটতে পারে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন