🚨🏥 বদরখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ; তরুণ ফাহিমের মৃত্যুকে ঘিরে তীব্র ক্ষোভ!
😢 কক্সবাজারের বদরখালী এলাকায় এক তরুণের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসা অবহেলা, ভুল চিকিৎসা ও তথ্য গোপনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বদরখালী জেনারেল হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। নিহত তরুণের পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিচারের দাবি জানিয়েছে।
📌 পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২ তারিখ সকালে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তরুণ ফাহিম। একাধিকবার পড়ে যাওয়ার পর তাঁকে দ্রুত বদরখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
⚠️ পরিবারের অভিযোগ, রোগীর শারীরিক অবস্থা গুরুতর হলেও চিকিৎসক যথাযথ রোগ নির্ণয় ছাড়াই স্যালাইন দিয়ে পর্যবেক্ষণে রাখেন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রোগীর অবস্থার অবনতি হলেও চিকিৎসক সরাসরি দেখতে আসেননি বলেও দাবি পরিবারের।
🤕 প্রথম স্যালাইন শেষ হওয়ার পর ফাহিম তীব্র মাথাব্যথা ও বমির কথা জানালেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিবার বলছে, বারবার অনুরোধের পরও চিকিৎসক রোগীকে দেখতে আসেননি।
💔 বিকেল ৫টা ১৭ মিনিটের দিকে হাসপাতালের বেডেই ফাহিমের মৃত্যু হয় বলে পরিবারের দাবি। পরে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে পথিমধ্যে ও পরবর্তীতে বিভিন্ন চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায় বলে পরিবারের বক্তব্য।
📄 এ ঘটনায় চিকিৎসা নথি ও প্রেসক্রিপশন পরিবর্তনের অভিযোগও তুলেছে পরিবার। তাদের দাবি, মূল প্রেসক্রিপশন গায়েব করে পরবর্তীতে নতুন কাগজে অন্য তথ্য সংযুক্ত করা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসকের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
🗣️ নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, চিকিৎসকের অবহেলা ও ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই একটি তরতাজা প্রাণ ঝরে গেছে। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে কথা বলায় বিভিন্ন মাধ্যমে ভয়ভীতি ও মামলার হুমকিরও অভিযোগ করা হয়েছে।
🔍 পরিবার প্রশাসন, সিভিল সার্জন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ, চিকিৎসা নথি ও ঘটনার সার্বিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে।
⚖️ এখন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের একটাই প্রশ্ন—ফাহিমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, এবং অভিযোগের সত্যতা উদঘাটনে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে?
#বদরখালী #চিকিৎসা_অবহেলা #ফাহিম #কক্সবাজার #তদন্ত_চাই #ন্যায়বিচার
⚠️ দ্রষ্টব্য: উপরের তথ্যগুলো নিহতের পরিবারের অভিযোগ ও দাবির ভিত্তিতে উপস্থাপিত। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও পাওয়া যায়নি।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন